মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

অফিস সম্পর্কিত

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে প্রাথমিক শিক্ষাকে সার্বজনীন করা হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষার উপর গুরুত্ব আরোপ করে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালে দেশের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতিয়করণ করেন। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা বর্তমান দেশের মহামান্য প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৩ সনের জানুয়ারী মাসে দেশে সকল রেজিঃ বে-সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতিয়করণ করেন। ইহা এটি যোগপযোগী পদক্ষেপ।১৯৯৩ সালে প্রাথমিক শিক্ষার আরও গুরুত্ব দিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় গঠন করা হয়।  দেশের জনসংখ্যাকে প্রগতিশীল ও মেধাবী ও সৃজনশীল হিসাবে গড়ে তোলার লক্ষ্য প্রাথমিক শিক্ষাকে প্রাতিষ্ঠানিক ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষায় পরিচালিত হচ্ছে। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা সুযোগ বঞ্চিত শিশুদেরকে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষা দেয়া হচ্ছে। প্রাথমিক শিক্ষার গুনগত মানদক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্য জাতিয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমী প্রশিক্ষণ এবং গবেষনা কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্তির পূর্বেই যেন ঝরে না পড়ে সে বিষয়ে শিক্ষকগণ হোম ভিজিট, মা সমাবেশ, উঠান বৈঠক, উপবৃত্তি প্রদান বিনামূল্যে বই বিতরণ, মিড ডে মিল ইত্যাদি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে এ ছাড়া ৩-৫ বছর বয়সী শিশুদেরকে বিদ্যালয় ভর্তি করে প্রাক প্রাথমিক শিক্ষাকার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

প্রতিটি জেলা শহরে কর্মজীবী শিশুদেরকে আনুষ্ঠানিক শিক্ষাদেয়ার জন্য শিশু কল্যাণ বিদ্যালয় স্থাপন করা হচ্ছে এবং তাদের বৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে।

ক্ষুদ্র নৃতাত্তিক জাতিগোষ্ঠির জন্য তাদের নিজস্ব মাতৃভাষায় শিক্ষা দেয়ার জন্য প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ে আলাদাভাবে বই তৈরী করে দেয়ার পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে।

ভিষন ২০২১ অর্জনের লক্ষ্যে ও ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ের অফিসে ইন্টারনেট চালু করা হয়েছে। বিদ্যালয়গুলিতে ল্যাপটপ ও নন মেটালিক বোর্ড বিতরণ করা হচ্ছে। উন্নত পাঠদানের লক্ষ্যে আইসিটি Based Content তৈরীর কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে।

ছবি



Share with :

Facebook Twitter